জীবনানান্দ ও তাঁর শালিক নিয়ে লেখা গ্রন্থে লেখক বিজ্ঞান ও সাহিত্যের মধ্যে একটা মেলবন্ধন গড়তে চেয়েছেন। প্রসঙ্গত সি.পি. স্নো’র ‘টু কালচার’ তত্ত্বের প্রকাশ। সভ্যতার বর্তমান সংকট আজ বহুমাত্রিক বিবেচনার কঠিন বাস্তবতার সামনে আমাদের দাঁড় করিয়েছে। আমরা নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য হচ্ছি, অর্থনীতিকে ইকোলজির সঙ্গে মিলাতে চাইছি, বিজ্ঞানের সঙ্গে কলাবিদ্যার মেলবন্ধনও তাই...
আরো পড়ুন
জীবনানান্দ ও তাঁর শালিক নিয়ে লেখা গ্রন্থে লেখক বিজ্ঞান ও সাহিত্যের মধ্যে একটা মেলবন্ধন গড়তে চেয়েছেন। প্রসঙ্গত সি.পি. স্নো’র ‘টু কালচার’ তত্ত্বের প্রকাশ। সভ্যতার বর্তমান সংকট আজ বহুমাত্রিক বিবেচনার কঠিন বাস্তবতার সামনে আমাদের দাঁড় করিয়েছে। আমরা নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য হচ্ছি, অর্থনীতিকে ইকোলজির সঙ্গে মিলাতে চাইছি, বিজ্ঞানের সঙ্গে কলাবিদ্যার মেলবন্ধনও তাই অনিবার্য হয়ে উঠেছে, যে-পূর্বাভাস সি. পি. স্নো বহুকাল আগেই দিয়েছিলেন। লক্ষণীয়, সৃজনশীলতার ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়াটি নৈর্ব্যক্তিক হলেও স্বাভাবিক বিকাশের ধারায় এমন একটি অনুকূল আবহ অবশ্যই গড়ে ওঠে যাতে লেখকরা অজান্তেই প্রভাবিত হতে থাকে। রবীন্দ্রনাথ ও বিভূতিভুষণ বন্দ্যোপাধ্যায়য়ের গাছপালার বিজ্ঞান ও নান্দনিকতা নিয়ে অনেকেই লিখেছেন, কিন্তু জীবনানন্দের শালিক বিষয়ে একটি বই অবশ্যই ব্যাতিক্রমী, এমনকী নতুনও।
কম দেখান