ডিম দিয়ে ভুনা খিচুড়ির লোকমা তুলে মুখে পুরতে নিয়ে তৃষ্ণা কৌতূহল হয়ে জিজ্ঞেস করে, “কে রেঁধেছে?”
বেলি তোতাপাখির মতো প্রত্যুত্তরে ছোটো করে বলে, “আমি!”
তৃষ্ণার খাওয়া ক্ষণিকের জন্য বন্ধ হয়। আশ্চর্য চোখে আপদমস্তক বেলিকে দেখে শুধায়, “তুই! রাঁধতেও পারিস? তোর গুণধর পিতা মহাশয় তোকে রাঁধতে দেয়?”
বেলি এতে অপ্রস্তুত হয়। বাবার বেলাতেই লোকটা...
আরো পড়ুন
ডিম দিয়ে ভুনা খিচুড়ির লোকমা তুলে মুখে পুরতে নিয়ে তৃষ্ণা কৌতূহল হয়ে জিজ্ঞেস করে, “কে রেঁধেছে?”
বেলি তোতাপাখির মতো প্রত্যুত্তরে ছোটো করে বলে, “আমি!”
তৃষ্ণার খাওয়া ক্ষণিকের জন্য বন্ধ হয়। আশ্চর্য চোখে আপদমস্তক বেলিকে দেখে শুধায়, “তুই! রাঁধতেও পারিস? তোর গুণধর পিতা মহাশয় তোকে রাঁধতে দেয়?”
বেলি এতে অপ্রস্তুত হয়। বাবার বেলাতেই লোকটা এমন করে কেন কথা বলে? বেলি ফিসফিস করে বলে, “আমি যাই করতে চাই না কেন বাবা আমাকে সবকিছুতেই ইন্সপায়ার করে।”
তৃষ্ণা নির্বিকার কণ্ঠে বলে, “তাই নাকি? তা গিয়ে বলিস তোর হেডমাস্টার বাপকে যে তুই একটা গভীর প্রেম করতে চাস আমার সাথে৷ দেখি তোর বাপ এই ব্যাপারে তোকে কেমন ইন্সপায়ার করে।”
কম দেখান