বীজগাঁর জমিদারিভুক্ত গ্রাম চণ্ডীগড়। এই গ্রামের মা চণ্ডীর প্রধান সেবিকার পদবী ভৈরবী। উপন্যাসের ভৈরবী হচ্ছে ষোড়শী- এক সাহসী নারী যে তার বুদ্ধিমত্তা, দয়ালু মনোভাবের মধ্য দিয়ে গ্রামের মানুষকে আগলে রাখে। কিন্তু বীজগাঁর জমিদার জীবানন্দ চৌধুরী চণ্ডীগড়ে আসার পর থেকেই তার অত্যাচার অনাচার আর নিষ্ঠুরতায় গ্রামের জনতা দিশেহারা। তাদের মাতৃরূপী ষোড়শীও...
আরো পড়ুন
বীজগাঁর জমিদারিভুক্ত গ্রাম চণ্ডীগড়। এই গ্রামের মা চণ্ডীর প্রধান সেবিকার পদবী ভৈরবী। উপন্যাসের ভৈরবী হচ্ছে ষোড়শী- এক সাহসী নারী যে তার বুদ্ধিমত্তা, দয়ালু মনোভাবের মধ্য দিয়ে গ্রামের মানুষকে আগলে রাখে। কিন্তু বীজগাঁর জমিদার জীবানন্দ চৌধুরী চণ্ডীগড়ে আসার পর থেকেই তার অত্যাচার অনাচার আর নিষ্ঠুরতায় গ্রামের জনতা দিশেহারা। তাদের মাতৃরূপী ষোড়শীও এই নিষ্ঠুরতা হতে রেহাই পায় না। বলিষ্ঠ এই নারীর সতীত্বে কালিমা লাগিয়ে তাকে পদচ্যুত করাই যেন ক্ষমতালোভী শ্রেণির উদ্দেশ্য। জমিদার ছাড়াও এই শ্রেণির মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্বয়ং ষোড়শীর পিতা তারাদাস, জনার্দন রায়, শিরোমণি, গোমস্থা এককড়িসহ ছোটোবড়ো আরও অনেকে। ষোড়শীর এমনই সম্মানহানির সময় সে পাশে পায় জনার্দন রায়ের কন্যা হৈমবতী ও তার ব্যারিস্টার স্বামী নির্মল বসুকে। আরেকটি উল্লেখযোগ্য চরিত্র ফকিরসাহেব, ষোড়শী যাকে গুরু মেনেছিল। এতসব কিছুর পরও ভাগ্য ষোড়শীর সহায় না, অথবা সে নিজেই নিজের ভাগ্যকে অগ্রাহ্য করেছিল।
আপাতদৃষ্টিতে কাহিনি এটি হলেও উপন্যাসের ভেতরকার ঘটনা আরও ঘোলাটে। বইয়ের মাঝপথে জটিল এক কাহিনি এসে হাজির হয় পাঠকের সামনে। প্রধান চরিত্র-ষোড়শী আর জীবনান্দের মন পরিবর্তনে বারবার উপন্যাসের মোড় ঘোরা দেখে এটিকে মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস বললেও খুব বেশি ভুল হবে না।
কম দেখান