প্রকাশনা জগতে খোশরোজ এর উন্মেষ ও অবিস্মরণীয় পথচলা বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম কলকাতায় আমার প্রকাশনা ও ছাপাখানার কার্যক্রমের সূচনা হয় ১৯৪০ সালে। এর কিছুদিন পর এক সাহিত্যসভায় আমার পরিচয় হয় কবি গোলাম মোস্তফার সঙ্গে, যিনি তখন হুগলি জেলা স্কুলে শিক্ষকতা করছিলেন। তাঁর রচিত ‘খোশরোজ’ শীর্ষক একটি কবিতার নামের সূত্র ধরেই তিনি আমার প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করেন ‘খোশরোজ কিতাব মহল’। এভাবেই প্রকাশনা জগতে যাত্রা শুরু হয় ‘খোশরোজ’-এর। বর্তমানে ‘খোশরোজ কিতাব মহল লিমিটেড’ সংক্ষেপে KKML নামেই এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। দীর্ঘ ৮৪ বছর ধরে প্রকাশনা অঙ্গনে নিরবচ্ছিন্ন পদচারণার মাধ্যমে আমি বাংলাদেশের অগণিত পাঠক, গ্রাহক, লেখক ও সুধী সমাজের সহযোগিতা ও আন্তরিকতা নিয়ে আমাদের...
আরো দেখুন
প্রকাশনা জগতে খোশরোজ এর উন্মেষ ও অবিস্মরণীয় পথচলা বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম কলকাতায় আমার প্রকাশনা ও ছাপাখানার কার্যক্রমের সূচনা হয় ১৯৪০ সালে। এর কিছুদিন পর এক সাহিত্যসভায় আমার পরিচয় হয় কবি গোলাম মোস্তফার সঙ্গে, যিনি তখন হুগলি জেলা স্কুলে শিক্ষকতা করছিলেন। তাঁর রচিত ‘খোশরোজ’ শীর্ষক একটি কবিতার নামের সূত্র ধরেই তিনি আমার প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করেন ‘খোশরোজ কিতাব মহল’। এভাবেই প্রকাশনা জগতে যাত্রা শুরু হয় ‘খোশরোজ’-এর। বর্তমানে ‘খোশরোজ কিতাব মহল লিমিটেড’ সংক্ষেপে KKML নামেই এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। দীর্ঘ ৮৪ বছর ধরে প্রকাশনা অঙ্গনে নিরবচ্ছিন্ন পদচারণার মাধ্যমে আমি বাংলাদেশের অগণিত পাঠক, গ্রাহক, লেখক ও সুধী সমাজের সহযোগিতা ও আন্তরিকতা নিয়ে আমাদের প্রকাশনাসমূহ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ধর্মীয়, আইন, সাহিত্য, রাজনীতি ও ইতিহাস আশ্রিত গ্রন্থ প্রকাশের মধ্য দিয়ে খোশরোজ সমাজে বহুমুখী জ্ঞান বিস্তারে এক অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। এছাড়াও, বাংলাদেশের প্রায় ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং প্রায় সাড়ে তিন লাখ প্রাথমিক শিক্ষকের মাঝে খোশরোজ তাদের পরিবারেরই একজন হয়ে ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে নিরলস কাজ করে চলেছে। পবিত্র কোরআনের তরজমা ও অন্যান্য ধর্মীয় গ্রন্থ প্রকাশের অনুপ্রেরণা আমি লাভ করি ১৯৫৪ সালে। ১৯৮১ সালে এক কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে যখন জীবনের আশা প্রায় তিরোহিত, তখন দয়াময় আল্লাহর অসীম কুদরতে আমি অলৌকিকভাবে সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাই। অতঃপর মহান আল্লাহর ইচ্ছায় আমি পুণ্যভূমি মক্কা-মদিনায় গমন করি এবং হজ্জ পালন শেষে সুস্থ দেহে দেশে ফিরে আসি। এই অভিজ্ঞতা আমার মাঝে কোরআন-হাদীস ও ইসলামী প্রকাশনার প্রেরণা সুদৃঢ় করে। ফলস্বরূপ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ভাষার অধ্যাপক ও কোরআন পাকের অন্যতম গবেষক ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান সাহেবকে অনুরোধ জানালে তিনি কোরআন অনুবাদের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং দুই বছর নিরলস পরিশ্রমের পর পূর্ণ কোরআনের তরজমা আমার হাতে তুলে দেন। - মহীউদ্দীন আহমদ প্রকাশক
কম দেখান