জীবনানন্দ জীবনানন্দকে মাঝে মাঝে দেখি রাস্তায়। বলিষ্ঠ শরীর, আধ-ময়লা পাঞ্জাবি, আধ-ময়লা ধুতি হাঁটুর নিচ অব্দি লেগে রয়েছে, পায়ে অস্পষ্ট স্যান্ডেল কি মােকাসিন, শুধু দু-চোখে তার আমার ছেলেবেলার হারিয়ে-ফেলা সবুজ প্রিজম দু-টুকরাে হয়ে জ্বলছে। গ্রিন রােডের মাথায় দেখেছি একদিন, একদিন স্টেডিয়ামের দোতলা বইএর দোকানে ওঠার সময় সিঁড়িতে আমার পাশ দিয়ে দ্রুত...
আরো পড়ুন
জীবনানন্দ জীবনানন্দকে মাঝে মাঝে দেখি রাস্তায়। বলিষ্ঠ শরীর, আধ-ময়লা পাঞ্জাবি, আধ-ময়লা ধুতি হাঁটুর নিচ অব্দি লেগে রয়েছে, পায়ে অস্পষ্ট স্যান্ডেল কি মােকাসিন, শুধু দু-চোখে তার আমার ছেলেবেলার হারিয়ে-ফেলা সবুজ প্রিজম দু-টুকরাে হয়ে জ্বলছে। গ্রিন রােডের মাথায় দেখেছি একদিন, একদিন স্টেডিয়ামের দোতলা বইএর দোকানে ওঠার সময় সিঁড়িতে আমার পাশ দিয়ে দ্রুত নেমে গেলেন, একদিন দেখি লেকের ধারে হেঁটে চলেছেন গভীর আত্মনিমগ্ন, আর-একদিন মাছের গােল বাজারে চক্কর খেতে খেতে। উৎসুক হয়ে তাকে দেখতে-না-দেখতে ভিড়ের ভিতরে মিশে যান তিিন, জনশূন্যতার ভিতরে মিশে যান। শুধু একদিন পাশ দিয়ে যাবার সময় আমার দিকে এক-পলক উদাসীন তাকিয়ে যেন স্বগতােক্তির মতাে উচ্চারণে ‘এতদিন কোথায় ছিলেন ? বলে, কোনাে জবাবের জন্যে দেরি না-করে নির্মোহতার ভিতরে মিশে যান। একদিন সন্ধেবেলা দেখি তাঁকে ধরা-পড়া নক্ষত্রের মতাে লজ্জিত দাঁড়িয়ে আছেন ঢাকার সবচেয়ে নির্জন মাঠের উপরে –
কম দেখান