‘পুতুলনাচের ইতিকথা’ মানিকের শ্রেষ্ঠতম সাহিত্যিক কীর্তি। প্রধান চরিত্র শশী যেন ঔপনিবেশিক নিষ্ক্রিয়তার এক প্রতীক। হারুর মৃতদেহ নিয়ে সে গ্রামে ঢোকে, ক্রমে সেই মৃতদেহের জড়তাই যেন গ্রাস করে তাকে। বিলেত যাওয়ার, চিকিৎসক হিসেবে প্রতিষ্ঠার, বিবাহিত কুসুমের প্রতি অবদমিত প্রেম ও যৌনতা, কিছুই সফল হয় না তার। শশী চিরকালের মতো গ্রামেই থেকে...
আরো পড়ুন
‘পুতুলনাচের ইতিকথা’ মানিকের শ্রেষ্ঠতম সাহিত্যিক কীর্তি। প্রধান চরিত্র শশী যেন ঔপনিবেশিক নিষ্ক্রিয়তার এক প্রতীক। হারুর মৃতদেহ নিয়ে সে গ্রামে ঢোকে, ক্রমে সেই মৃতদেহের জড়তাই যেন গ্রাস করে তাকে। বিলেত যাওয়ার, চিকিৎসক হিসেবে প্রতিষ্ঠার, বিবাহিত কুসুমের প্রতি অবদমিত প্রেম ও যৌনতা, কিছুই সফল হয় না তার। শশী চিরকালের মতো গ্রামেই থেকে যায়, আর অপেক্ষা করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যায় কুসুম। মৃত্যুর বিনিময়ে যাদব অর্জন করে মহৎ হওয়ার গৌরব।
লেখক মানিক কমিউনিস্ট ছিলেন, ফ্রয়েডীয় তত্ত্ব, মার্কসীয় দর্শন গ্রহণ করেছিলেন। তারপরেও ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’য় কেবল পুতুলদের কথাই ব্যক্ত হয়নি, বরং মনুষ্য সত্তা নির্মাণের মধ্য দিয়ে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় পুতুল ও মানুষের মহাকাব্যিক এক দ্বৈরথ নির্মাণ করেছেন।
কম দেখান