এই বিষয় ও শিরোনামের বই লেখা আমার মতো নগণ্য লোকের পক্ষে একপ্রকার দুঃসাহস এবং ধৃষ্টতাও বলা যেতে পারে। তাই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। অপেক্ষায় ছিলাম, কেউ লিখবে। কেউ লিখছে না। তাই লিখতে বসেছিলাম। ঝিমিয়ে ঝিমিয়ে এগুচ্ছিলাম। শেষমেশ যা দাঁড়ালো তার নাম দিয়েছি ‘পঁচাত্তর থেকে শাপলা’। ‘শাপলা’ আমাদের নিকট ইতিহাসের এক বড়...
আরো পড়ুন
এই বিষয় ও শিরোনামের বই লেখা আমার মতো নগণ্য লোকের পক্ষে একপ্রকার দুঃসাহস এবং ধৃষ্টতাও বলা যেতে পারে। তাই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। অপেক্ষায় ছিলাম, কেউ লিখবে। কেউ লিখছে না। তাই লিখতে বসেছিলাম। ঝিমিয়ে ঝিমিয়ে এগুচ্ছিলাম। শেষমেশ যা দাঁড়ালো তার নাম দিয়েছি ‘পঁচাত্তর থেকে শাপলা’। ‘শাপলা’ আমাদের নিকট ইতিহাসের এক বড় নোক্তা। আজ জাগ্রত চেতনা ও চেতনা জাগানিয়ার অপর নাম ‘শাপলা’। শেষমেশ বইটি আপনাদের হাতে তুলে দিতে পেরে নিজেকে কিছুটা নির্ভার মনে করছি।আমি দেখি, এই ভূখণ্ডের জনমণ্ডলী কী যেন হারিয়ে সর্বক্ষণ খুঁজে বেড়াচ্ছে এবং তাদের চোখে-মুখে মলিনতা লেপ্টে আছে। হয়ত নেতা ও নেতৃেত্বের অভাবে তারা মাথা নিচু করে আছে। বার বার স্বপ্ন ভঙ্গের কারণে তারা স্বপ্ন দেখতেও যেন ভয় পাচ্ছে। আমাদের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যও বহুদিন থেকে বিভিন্ন কৌশলে ভুলিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা চোখে পড়ছে।ফলে নিজেদের মাঝে বহু ধারা ও মত-পথের সৃষ্টি হয়েছে। নিজস্বতা হারানো কোনো জাতি কীভাবে অপরের ক্রীড়নকে পরিণত হয় এই সময় তার প্রকৃষ্ট প্রমাণ বহন করে।এসব ভাবনা ও দুর্ভাবনা থেকে এই সময় ও সমাজ সম্বন্ধে কিছু আলাপ বক্ষ্যমাণ বইয়ে তুলে ধরা হয়েছে। প্রাসঙ্গিকভাবে শাপলা-শাহবাগ সম্বন্ধে বিস্তারিত আলোচনা স্থান পেয়েছে।এই বইয়ে গত পাশ বছরের রাজনীতির ধারায় কিছু প্রশ্ন, কিছু জবাব ও কিছু বয়ান পেশ করা হয়েছে। এই বইয়ে রাজনীতি, সমাজ ও শিক্ষা সম্বন্ধে সমান গুরুত্বের সাথে আলোকপাত করা হয়েছে।
কম দেখান