হুড়মুড় করে বাড়িতে ঢুকতে ঢুকতে রুবাইয়াত হাসান তার মেয়েকে ডাকলেন, রুবী, রুবী; রুবী মা! রুবীর কোনো সাড়া নেই। সে গভীর মনোযোগে রবীন্দ্র সংগীত শুনছে। প্রতিদিন সকালে রবীন্দ্র সংগীত না শুনলে তার মন ভালো হয় না। মন ভালো না হলে যা হয়! কাজের প্রতিও কোনো মনোযোগ থাকে না। আজ গান শুনতে...
আরো পড়ুন
হুড়মুড় করে বাড়িতে ঢুকতে ঢুকতে রুবাইয়াত হাসান তার মেয়েকে ডাকলেন, রুবী, রুবী; রুবী মা! রুবীর কোনো সাড়া নেই। সে গভীর মনোযোগে রবীন্দ্র সংগীত শুনছে। প্রতিদিন সকালে রবীন্দ্র সংগীত না শুনলে তার মন ভালো হয় না। মন ভালো না হলে যা হয়! কাজের প্রতিও কোনো মনোযোগ থাকে না। আজ গান শুনতে শুনতে সে ঘুমিয়ে পড়ে। দশটার দিকে তার ঘুম ভাঙে। নিজের ইচ্ছায় সে ঘুম থেকে জাগে। বেডটি দিয়ে তার দিন শুরু হয়। বেডটি খেতে খেতে পত্রিকা পড়া শেষ করে সে। আজ এসব কিছুই করা হয়নি। পুরো বাড়িতে পিনপতন নীরবতা!
রুবাইয়াত হাসান বাড়িতে পা দিয়ে নীবরতা টের পেলেন। তিনি মনে মনে ভাবেন, কী ব্যাপার! রুবী কি ঘুম থেকে জাগেনি! হঠাৎ কী হলো ওর! রুবীর সাড়া না পেয়ে তিনি আবারো ডাকলেন, রুবী, রুবী মা!
রুবাইয়াত হাসানের ডাকে আচমকা ঘুম ভাঙলো রুবীর। ঘুম থেকে সে লাফিয়ে উঠলো। তারপর চশমা খুঁজতে ব্যস্ত হয়ে পড়লো। কিন্তু হাতের কাছে চশমাটা নেই। চশমা ছাড়া সে কিছুই দেখতে পায় না। অল্প বয়স থেকেই হাই পাওয়ারের চশমা পড়ে রুবী। চশমা ছাড়া এক পা-ও ফেলার সাধ্য নেই তার।
কম দেখান