রবীন্দ্রনাথের কবিতা রচনার প্রারম্ভিক পর্যায় বিধৃত আছে কবি-কাহিনী’ (১৮৭৮) নামাঙ্কিত এক আখ্যানকাব্যে অতঃপর ‘সন্ধ্যাসংগীত' (১৮৮২), ‘প্রভাতসংগীত’ (১৮৮৩), ছবি ও গান’ (১৮৮৪), ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ (১৮৮৪) ও ‘কড়ি ও কোমল’ (১৮৮৬) কাব্যের পর প্রকাশিত হয়। ‘মানসী’ ১৮৯০ সালেরবীন্দ্রবেত্তা সুধীজন সকলেই স্বীকার করেন যে, মহত্তম কবিরূপে জায়মান এক কবি-আত্মার প্রাণস্পন্দন প্রথম প্রণিধানযোগ্যভাবে...
আরো পড়ুন
রবীন্দ্রনাথের কবিতা রচনার প্রারম্ভিক পর্যায় বিধৃত আছে কবি-কাহিনী’ (১৮৭৮) নামাঙ্কিত এক আখ্যানকাব্যে অতঃপর ‘সন্ধ্যাসংগীত' (১৮৮২), ‘প্রভাতসংগীত’ (১৮৮৩), ছবি ও গান’ (১৮৮৪), ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ (১৮৮৪) ও ‘কড়ি ও কোমল’ (১৮৮৬) কাব্যের পর প্রকাশিত হয়। ‘মানসী’ ১৮৯০ সালেরবীন্দ্রবেত্তা সুধীজন সকলেই স্বীকার করেন যে, মহত্তম কবিরূপে জায়মান এক কবি-আত্মার প্রাণস্পন্দন প্রথম প্রণিধানযোগ্যভাবে ধ্বনিত হয়। ‘মানসী' কাব্যে ছন্দ ও মিল নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা, বিষয়ের বৈচিত্র্য, উচ্চারণ-ভঙ্গিমায় ধ্বনিমাধুর্যের উৎসারণ—সকল বিষয়ে মানসী’কে বলা চলে।
রবীন্দ্র-কাব্যসাহিত্যের উপক্রমণিকা বুদ্ধদেব বসু যথার্থই বলেছেন যে, “কলাকৌশলে, এবং ভাববস্তুতেও, মানসী’কে রবীন্দ্র-কাব্যের অণুবিশ্ব বলা যায়।.যে-সব ছন্দ তাঁর হাতে কখনো বীণা, কখনো শঙ্খ, কখনো বা বাঁশি হয়ে মধুর, করুণ, উদাস, চপল, গম্ভীর অথবা উৎসাহী সুরে ধীর বা দ্রুত লয়ে ধ্বনিত হয়েছে সেগুলিরও ‘মানসী’তেই আরম্ভ, কোনোটির আরম্ভমাত্র, কোনোটি বা ইতিমধ্যেই বিকশিত।”
কম দেখান