শৈশবের সবচেয়ে নির্মল, রঙিন ও নির্ভেজাল জগতের নাম ছড়া। শিশু মনের আনন্দ, স্বপ্ন, খেলা আর কৌতূহল ফুটে ওঠে ছড়ার ছন্দে, ভাষায়, চিত্রকল্পে। ছড়াকার আবুল হোসেন আজাদ তাঁর “খুকু গেছে ধান ভানতে” ছড়াগ্রন্থে সেই শৈশবের মায়াভরা জগৎকে জীবন্ত করে তুলেছেন অপূর্ব স্নেহে, কোমল ভাষায় ও ছন্দের মাধুর্যে।
এই বইয়ের প্রতিটি ছড়া যেন...
আরো পড়ুন
শৈশবের সবচেয়ে নির্মল, রঙিন ও নির্ভেজাল জগতের নাম ছড়া। শিশু মনের আনন্দ, স্বপ্ন, খেলা আর কৌতূহল ফুটে ওঠে ছড়ার ছন্দে, ভাষায়, চিত্রকল্পে। ছড়াকার আবুল হোসেন আজাদ তাঁর “খুকু গেছে ধান ভানতে” ছড়াগ্রন্থে সেই শৈশবের মায়াভরা জগৎকে জীবন্ত করে তুলেছেন অপূর্ব স্নেহে, কোমল ভাষায় ও ছন্দের মাধুর্যে।
এই বইয়ের প্রতিটি ছড়া যেন ছোট্ট খুকুমণির জীবন, খেলা, হাসি-অভিমান, ঘুম ও স্বপ্নের একেকটি রঙিন ছবি। কখনো “খুকু গেছে ধান ভানতে” ছড়ায় তার চঞ্চলতা, কখনো “ঘুম পাড়ানী গান”-এ তার নিদ্রাভরা চোখ, আবার কখনো “খুকুমণির পুতুল বিয়ে”-তে ফুটে ওঠে গ্রামীণ জীবনের সরল আনন্দ—সবই মিশে গেছে বাংলার মাটির গন্ধে, নদীর হাওয়ায়, পাখির ডাকের সুরে।
ছড়াকার আবুল হোসেন আজাদ-এর ছড়াগুলোর ভাষা সহজ, সুরেলা ও শিশুমনে অনায়াসে মিশে যাওয়ার মতো। ছন্দের টান আর চিত্রকল্পের উচ্ছ্বাস পাঠককে এক অন্য রকম আনন্দে ভরিয়ে তোলে। এখানে শুধু শিশুর খেলার জগৎ নয়, আছে বাংলার প্রকৃতি, লোকজ সংস্কৃতি ও আবেগময় সম্পর্কের ছোঁয়াও।
“খুকু গেছে ধান ভানতে” বইটি তাই কেবল একটি ছড়ার সংকলন নয়; এটি এক মায়াভরা শৈশবের অ্যালবাম, যেখানে প্রতিটি ছড়া একটি হাসিমাখা ছবির মতো উজ্জ্বল হয়ে থাকে। শিশুপাঠকদের হাতে এই বই যেমন আনন্দ দেবে, তেমনি বড়দের মনেও জাগাবে হারিয়ে যাওয়া ছোটবেলার টান।
কম দেখান