ছােটগল্পের সঙ্গে হাসনাত আবদুল হাই-এর আকর্ষণ ও আগ্রহের সম্পর্ক দীর্ঘকালের। তাঁর সাহিত্যচর্চার সূচনাই হয়েছিল এর মাধ্যমে। ১৯৫৮ সালে এক দৈনিক পত্রিকার সাহিত্য সাময়িকীতে প্রকাশিত হয় তার প্রথম গল্প । প্রথম বয়সের লেখা সাধারণত অধিকাংশ লেখকের ক্ষেত্রে যা । হয়ে থাকে, সেই লেখাটি ছিল রােমান্টিক মেজাজের। ১৯৫৮ থেকে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত...
আরো পড়ুন
ছােটগল্পের সঙ্গে হাসনাত আবদুল হাই-এর আকর্ষণ ও আগ্রহের সম্পর্ক দীর্ঘকালের। তাঁর সাহিত্যচর্চার সূচনাই হয়েছিল এর মাধ্যমে। ১৯৫৮ সালে এক দৈনিক পত্রিকার সাহিত্য সাময়িকীতে প্রকাশিত হয় তার প্রথম গল্প । প্রথম বয়সের লেখা সাধারণত অধিকাংশ লেখকের ক্ষেত্রে যা । হয়ে থাকে, সেই লেখাটি ছিল রােমান্টিক মেজাজের। ১৯৫৮ থেকে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত নিয়মিত লিখে গিয়েছেন ছােটগল্প, ধীরে ধীরে বিষয় ও বর্ণনাভঙ্গিতে এসেছে। পরিবর্তন। দীর্ঘ এক দশকের প্রৰাসকালে সাহিত্যের গঠনে ছেদ না পড়লেও লেখনে পড়েছে বিরতি। একাত্তরের পর তিনি আবার পূর্ণোদ্যমে শুরু করেছেন ছােটগল্প লেখা। রোমান্টিক ধারার পাশাপাশি গুরুত্ব পেয়েছে। সমাজ-বাস্তবতার প্রভাব। আঙ্গিকেও এসেছে পরিবর্তন। বিষয়বস্ততে, ভাষা ব্যবহারে এবং পরীক্ষানিরীক্ষায় বিশিষ্ট গল্পের পাশাপাশি গ্রথিত হয়েছে প্রচলিত ধারার গল্প । গ্রাম। ও নগর, দুইই তার গল্পের পটভূমি ।হাসনাত আবদুল হাই ২০১৭ সালে ৮০ বছর পূর্ণ করেন। আশি বছরে পদার্পণ করেও তার গল্প লেখা অব্যাহত রয়েছে। এসব গল্পে রয়েছে নতুনত্ব এবং সমকালীনতার। পরিচয়। একা এবং একসঙ্গে--নির্বাচিত আশি ১৯৬০-২০১৭ গল্পগ্রন্থে প্রথম পর্ব থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক গল্পে পাওয়া। যাৰে লেখকের ছােটগল্প লেখার সার্বিক পরিচয়।
কম দেখান