মাহমুদ দারবিশ ফিলিস্তিনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে সারা বিশ্বে পরিচিত ও সমাদৃত। দুঃখকালের দিনলিপি তাঁর অন্যতম সেরা গদ্যগ্রন্থ ইয়ামিয়্যাত আল হুয়ুন আল আদি-এর বঙ্গানুবাদ। তাঁর এই গ্রন্থ ইংরেজি অনুবাদে জার্নালস অব অ্যান অর্ডিনারি গ্রিফ নামে সুপরিচিত। আরবি ভাষা ও সাহিত্যে ডক্টরেট ডিগ্রিধারী তাসনীম আলম অত্যন্ত যত্নসহকারে এটি অনুবাদ করেছেন মূল...
আরো পড়ুন
মাহমুদ দারবিশ ফিলিস্তিনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে সারা বিশ্বে পরিচিত ও সমাদৃত। দুঃখকালের দিনলিপি তাঁর অন্যতম সেরা গদ্যগ্রন্থ ইয়ামিয়্যাত আল হুয়ুন আল আদি-এর বঙ্গানুবাদ। তাঁর এই গ্রন্থ ইংরেজি অনুবাদে জার্নালস অব অ্যান অর্ডিনারি গ্রিফ নামে সুপরিচিত। আরবি ভাষা ও সাহিত্যে ডক্টরেট ডিগ্রিধারী তাসনীম আলম অত্যন্ত যত্নসহকারে এটি অনুবাদ করেছেন মূল আরবি থেকে।
ফিলিস্তিনিদের দুঃখের কেন্দ্রবিন্দু ১৯৪৮ সালের নাকবা। ওই সময়ে তাদের জীবন ও সমাজে নেমে আসে এক মহাবিপর্যয়। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তাদের নতুন রাষ্ট্র সম্প্রসারণ করতে গিয়ে অতি অন্যায়ভাবে দখল করে নেয় ফিলিস্তিনিদের ৪০০টি গ্রাম ও জনপদ। সেগুলোর মধ্যে একটি মাহমুদ দারবিশের জন্মস্থান গ্যালিলির আল-বিরওয়াহ গ্রাম- যেখানে তাঁর জীবনের প্রথম ছয়টি বছর কেটেছে। সেই গ্রাম থেকে সপরিবার উচ্ছেদ হওয়ার মর্মন্তুদ স্মৃতি ফুটে উঠেছে ইয়ামিয়্যাত আল হুযুন আল আদি বা দুঃখকালের দিনলিপি বইতে। বইটি ইতোমধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে; আরবি থেকে বাংলায় অনূদিত হলো এই প্রথম। ফিলিস্তিনি ভূমিতে ইসরায়েলি অন্যায় দখলদারি ও নিষ্ঠুরতার এই বিবরণ প্রতিটি সংবেদনশীল পাঠকক নাড়া দেবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
কম দেখান