আবুল ফজল তাঁর এক প্রবন্ধে নজরুল ইসলাম ও জয়নুল আবেদিনের পর বুলবুল চৌধুরীকে আমাদের 'তৃতীয় প্রতিভা' হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাঁর মতে 'নিন্দিত ও নিষিদ্ধ' নৃত্যশিল্পকে আমাদের সমাজে বুলবুলই প্রথম 'জাতে তুলেছেন'। এর আগে বাঙালি মুসলমান সমাজে নাচের চর্চা ছিল না বললেই যথেষ্ট হবে না। তা ছিল এক রকম নাজায়েজ বস্তু।...
আরো পড়ুন
আবুল ফজল তাঁর এক প্রবন্ধে নজরুল ইসলাম ও জয়নুল আবেদিনের পর বুলবুল চৌধুরীকে আমাদের 'তৃতীয় প্রতিভা' হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাঁর মতে 'নিন্দিত ও নিষিদ্ধ' নৃত্যশিল্পকে আমাদের সমাজে বুলবুলই প্রথম 'জাতে তুলেছেন'। এর আগে বাঙালি মুসলমান সমাজে নাচের চর্চা ছিল না বললেই যথেষ্ট হবে না। তা ছিল এক রকম নাজায়েজ বস্তু। এ রকম একটি সামাজিক পরিমণ্ডলে বুলবুল কেবল শিল্প হিসেবে নাচের প্রবর্তনই করেননি, আপন অঘটন-ঘটন-পটিয়সী প্রতিভা এবং একলব্য সাধনা বলে তাকে উৎকর্ষের এমন এক স্তরে পৌঁছে দিয়েছেন, যেখানে তাঁর সাফল্যকে আজ পর্যন্ত কেউ অতিক্রম করতে পারেননি। আবুল ফজলের ভাষায়: "প্রতিভা যে কত অসাধ্যসাধন করতে পারে তার অন্যতম নিদর্শন বুলবুল চৌধুরী।" ('তৃতীয় প্রতিভা') হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে বাঙালি সমাজে নৃত্যশিল্পী হিসেবে উদয়শঙ্করের পরই তাঁর নামটি উচ্চার্য। যদিও উদয়শঙ্করের পারিবারিক-সাংস্কৃতিক পটভূমি বুলবুলের ছিল না। নাচের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা পদ্ধতিগত শিক্ষা লাভের সুযোগও তাঁর ঘটেনি। বেঁচেছিলেনও তিনি মাত্র ৩৫ বছর।
কম দেখান