তখন রাতের শেষ প্রহর, ভোর হতে দেরি নেই, দুটি একটি পাখির ডাক শোনা যাচ্ছে, দক্ষিণে বাতাবি লেবুর গাছ ঘিরে গাঢ় অন্ধকার। উত্তরের বাঁশ ঝাড় জুড়েও তাই। শেষ ভাদ্রের ভাঙা আর শিশির ভেজা চাঁদ বড় রাস্তার বুড়ো আম গাছের মাথার ওপর ঝুলে পড়েছে। আকালু শেখ গলা উচিয়ে ডাকাডাকি করেনি- তার দরকার...
আরো পড়ুন
তখন রাতের শেষ প্রহর, ভোর হতে দেরি নেই, দুটি একটি পাখির ডাক শোনা যাচ্ছে, দক্ষিণে বাতাবি লেবুর গাছ ঘিরে গাঢ় অন্ধকার। উত্তরের বাঁশ ঝাড় জুড়েও তাই। শেষ ভাদ্রের ভাঙা আর শিশির ভেজা চাঁদ বড় রাস্তার বুড়ো আম গাছের মাথার ওপর ঝুলে পড়েছে। আকালু শেখ গলা উচিয়ে ডাকাডাকি করেনি- তার দরকার হয়নি। কারণ রাতে কেউ ঘুমোয়নি। জোয়াল থেকে গরু দুটোকে ছাড়িয়ে নেওয়ার সময় আকালু শেখ হট্ হট্ যা যা আওয়াজ করে। গরু দুটো তার কথা মতো দু'দিকে সরে যায়। তখন গাড়ির মাথাটা মাটিতে নামিয়ে রাখতে যা দেরি। প্রায় সঙ্গে সঙ্গে ধরাধরি করে আনা হয় দুটো বড় বড় তোরঙ্গ, লেপ-তোষক, বালিশ চাদর পেঁচিয়ে বাঁধা দুটো হোল্ডঅল, তিনটে সুটকেস আর গোটা চারেক পোঁটলা । যেগুলো টুকিটাকি নানান জিনিসে ভরতি। থালা বাটি বাসন কোশন দা বঁটি ভরতি একটা বস্তাও সেই সঙ্গে- অতীত আর পূর্বপুরুষের স্মৃতিচিহ্ন যতোটুকু পারা যায় সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা আর কি!
কম দেখান