এই নিয়ে তৃতীয়বারের মতো মারা গেল আজাদ। বরাবরের মতো বাবা আরমান সাহেব বাজারের ব্যাগ হাতে রওনা হওয়ার আগে আর রান্নাঘরে তরকারি গরম করতে থাকা মা জাহানারা ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে একটু থমকে দাঁড়ালেন। পরক্ষণেই আবার যে যার কাজে মন দিলেন। মেয়ে নিতুকে দরজার ছিটকিনি লাগিয়ে দিতে বলে বেরিয়ে গেলেন আরমান...
আরো পড়ুন
এই নিয়ে তৃতীয়বারের মতো মারা গেল আজাদ। বরাবরের মতো বাবা আরমান সাহেব বাজারের ব্যাগ হাতে রওনা হওয়ার আগে আর রান্নাঘরে তরকারি গরম করতে থাকা মা জাহানারা ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে একটু থমকে দাঁড়ালেন। পরক্ষণেই আবার যে যার কাজে মন দিলেন। মেয়ে নিতুকে দরজার ছিটকিনি লাগিয়ে দিতে বলে বেরিয়ে গেলেন আরমান সাহেব আর কাজের মেয়ে মিনাকে চুলোয় গরম পানি বসিয়ে দিতে বলে ঘরের দিকে হাঁটা শুরু করলেন জাহানারা।
কিন্তু ভাব দেখে বোঝা যাচ্ছে দুশ্চিন্তা ছাড়ছে না কাজের মেয়ে মিনার। কিছুক্ষণ জাহানারার চেহারার দিকে চোখ বুলিয়ে তাকে ভালোভাবে বুঝে মিনা বলল, খালাম্মা ভাইজানের অট্টু খবর নেওন দরকার না?
জাহানারা মিনার দিকে কিছুটা বিরক্ত নিয়ে তাকিয়ে ঘরে চলে গেলেন। মিনা মাথা নিচু করে কাজে মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করল।
কম দেখান