কিন্তু এমন সুন্দর প্রভাতকেও বিশ্রী করে দিল সামনের সেই বীভৎস দৃশ্য! ভূমিতলে চিৎ হয়ে পড়ে প্রাণপণে জুঝছে গাটুলা-সর্দার এবং তার বুকের উপরে হাঁটু গেড়ে বসে আছে বিপুলদেহ দানবের মতো প্রকাণ্ড একটা গরিলা। কুমার চেঁচিয়ে উঠল,―“গরিলা, গরিলা! সর্দারকে গরিলায় আক্রমণ করেছে―গুলি কর!” চিৎকার শুনেই গরিলাটা গাটুলাকে ছেড়ে একলাফে দাঁড়িয়ে উঠল এবং...
আরো পড়ুন
কিন্তু এমন সুন্দর প্রভাতকেও বিশ্রী করে দিল সামনের সেই বীভৎস দৃশ্য! ভূমিতলে চিৎ হয়ে পড়ে প্রাণপণে জুঝছে গাটুলা-সর্দার এবং তার বুকের উপরে হাঁটু গেড়ে বসে আছে বিপুলদেহ দানবের মতো প্রকাণ্ড একটা গরিলা। কুমার চেঁচিয়ে উঠল,―“গরিলা, গরিলা! সর্দারকে গরিলায় আক্রমণ করেছে―গুলি কর!” চিৎকার শুনেই গরিলাটা গাটুলাকে ছেড়ে একলাফে দাঁড়িয়ে উঠল এবং সামনেই বিমলকে দেখে ভীষণ এক চিৎকার করে মহাবিক্রমে তাকে আক্রমণ করল!...
এই বৃহৎ গরিলাটার অতর্কিত আক্রমণে বিমল প্রথমেই মাটির উপরে ঠিকরে পড়ে গেল; কিন্তু শত্রু তাকে দ্বিতীয়বার ধরবার আগেই বিমল ক্ষিপ্রগতিতে উঠে দাঁড়িয়ে গরিলার মুখের উপরে প্রচণ্ড এক ঘুসি বসিয়ে দিয়ে স্যাঁৎ করে একপাশে সরে গেল। কিন্তু ঘুসি খেয়েও গরিলাটা একটুও দমল না, দু-হাত বাড়িয়ে বিমলকে জড়িয়ে ধরতে উদ্যত হলো। এবারে বিমল যুযুৎসুর এক প্যাঁচ কষল এবং চোখের নিমেষে যেন কোন মন্ত্রশক্তিতেই গরিলাটার সেই বিশাল দেহ, গোড়া-কাটা-কলাগাছের মতো ভূমিসাৎ হলো। আহত গাটুলা-সর্দার রক্তাক্ত দেহে মাটির উপরে দুই হাতে ভর দিয়ে উঠে বলল, “শাবাশ বাবুজি! বহুৎ আচ্ছা। মরদ-কা বাচ্চা!”
কম দেখান