প্রকাশকের কথা
ব্যতিক্রমী দিগন্তপথের অভিযাত্রী ফররুখ আহমদ আমাদের সাহিত্যের এক শক্তিমান কবি-ব্যক্তিত্ব। বাংলার কাব্যাঙ্গনে তিনি নবতর ধারার প্রবর্তন করেছিলেন। ইসলামী আদর্শভিত্তিক জীবনাচরণের অপরিমেয় সম্ভাবনাকে স্বাতন্ত্র্যমণ্ডিত স্বকীয় আধারে তুলে ধরে কবি সাফল্য লাভ করেছিলেন, তা বাংলার কাব্যাঙ্গনে একটি স্বতন্ত্র ও নবতর কাব্যচেতনার উন্মেষ ঘটিয়েছে।
'সাত সাগরের মাঝি'র পর 'সিরাজাম মুনীরা' ঐতিহ্যের...
আরো পড়ুন
প্রকাশকের কথা
ব্যতিক্রমী দিগন্তপথের অভিযাত্রী ফররুখ আহমদ আমাদের সাহিত্যের এক শক্তিমান কবি-ব্যক্তিত্ব। বাংলার কাব্যাঙ্গনে তিনি নবতর ধারার প্রবর্তন করেছিলেন। ইসলামী আদর্শভিত্তিক জীবনাচরণের অপরিমেয় সম্ভাবনাকে স্বাতন্ত্র্যমণ্ডিত স্বকীয় আধারে তুলে ধরে কবি সাফল্য লাভ করেছিলেন, তা বাংলার কাব্যাঙ্গনে একটি স্বতন্ত্র ও নবতর কাব্যচেতনার উন্মেষ ঘটিয়েছে।
'সাত সাগরের মাঝি'র পর 'সিরাজাম মুনীরা' ঐতিহ্যের ক্ষেত্রে ফররুখ আহমদের নবতর উত্তরণ। 'সাত সাগরের মাঝি'তে কবি ইসলামী আদর্শ- ভিত্তিক জীবনাচরণের সম্ভাবনাকে অতীত স্বপ্নের প্রতীকী ব্যঞ্জনায় উপস্থাপিত করেছেন। আর এই লক্ষ্যাভিসারী কবি 'সিরাজাম মুনীরা'য় এগিয়ে এসেছেন আরো সামনের দিকে। যে স্বপ্ন ও বলিষ্ঠ আশাবাদ তিনি দেখেছিলেন 'সাত সাগরের মাঝি'তে, 'সিরাজাম্ মুনীরা'য় রয়েছে তারই যথার্থ ও বাস্তবসম্মত দিক-নির্দেশনা। 'দুস্তর তরঙ্গবাধা তিমিরময়ী' অতিক্রম করে যদি রাতের সফরে কবির ধ্রুব লক্ষ্যাভিসারী কিশতিকে 'দিগ্বিজয়ী' হতে হয়, তাহলে এই দিক-নির্দেশনা, সিরাজাম মুনীরা- 'উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা'র আলোকিত পথ ধরেই এগিয়ে যেতে হবে।
বর্তমান গ্রন্থভুক্ত কবিতাগুলো এই আলোকবর্তিকা ও তার আলোকিত পরিমণ্ডলকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত। গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালে। গ্রন্থভুক্ত সবকটি কবিতাই ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৬ সালের মধ্যে রচিত।
কম দেখান