শব্দ-জীবন ভর করা আঁখি সিদ্দিকার প্রথম পত্রোপন্যাস ‘অনুত্তর’। কবিতা থেকে গল্প, গল্প থেকে প্রবন্ধসাহিত্য, প্রবন্ধসাহিত্য থেকে ‘পত্রোপন্যাসে’ নিরীক্ষা করলেন নিরীক্ষাপ্রিয় আঁখি সিদ্দিকা। শব্দ দিয়ে আঁকা প্রতিটি পত্রের পরতে পরতে রয়েছে গল্প, চরিত্রের বিন্যাস, সময়-রাজনীতি, সম্পর্কের ব্যবচ্ছেদ—যেন একেকটি চরিত্রের উদ্ভাসনে চিত্রায়িত হয়েছে আঁখি সিদ্দিকার দেখা-অদেখা অস্তিত্বের আবডালে পুষে রাখা বোধেরই প্রকাশ।...
আরো পড়ুন
শব্দ-জীবন ভর করা আঁখি সিদ্দিকার প্রথম পত্রোপন্যাস ‘অনুত্তর’। কবিতা থেকে গল্প, গল্প থেকে প্রবন্ধসাহিত্য, প্রবন্ধসাহিত্য থেকে ‘পত্রোপন্যাসে’ নিরীক্ষা করলেন নিরীক্ষাপ্রিয় আঁখি সিদ্দিকা। শব্দ দিয়ে আঁকা প্রতিটি পত্রের পরতে পরতে রয়েছে গল্প, চরিত্রের বিন্যাস, সময়-রাজনীতি, সম্পর্কের ব্যবচ্ছেদ—যেন একেকটি চরিত্রের উদ্ভাসনে চিত্রায়িত হয়েছে আঁখি সিদ্দিকার দেখা-অদেখা অস্তিত্বের আবডালে পুষে রাখা বোধেরই প্রকাশ। বাবাকে লেখা মেয়ের চিঠি। আসলে সে চরিত্রটিই কি তার বাবা ছিল, না আছে? না কি সে তার প্রেমিক? না কি অন্য কেউ? ব্যক্তি কে? পরিবার কী, সমাজ কী, দেশ বা পৃথিবী কী? কী তার অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ অবস্থা? সম্পর্ক, প্রেম, অসম মেলবন্ধন, যুদ্ধ, যুদ্ধের সম্ভাবনা, গণমানুষের জাগরণ, অন্যপাশে ক্ষমতা, হিংস্রতা? এমনই অনেক প্রশ্ন যার উত্তর মেলেনি দুলারীর। বাবা কি চলে গেলেন উত্তর না দিয়েই। ‘অনুত্তর’ হয়ে রয়ে গেল পাঠকের জন্য—‘পত্রোপন্যাস’ হয়েই হয়তো। কোনো বাবা, কোনো মা, কোনো ভাই, কোনো বোন যদি দুলারীকে কোনো উত্তর দেয় সেই প্রত্যাশায়।
কম দেখান