নারীবাদী দার্শনিকেরা বলেছেন, নারীর ইতিহাস লিখতে হবে নারীকেই। কেননা, সমাজ গঠনের সময় থেকেই নারী ক্রমশ বন্দি হয়েছে পুরুষতন্ত্রের জালে। হয়েছে শারীরিক, মানসিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বৈষম্যের শিকার। যদিও বিচ্ছিন্নভাবে নারী নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সরব হয়েছে, প্রশ্ন তুলেছে পিতৃতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির বিরুদ্ধে। তবে ধীরে ধীরে তা একটি সংগঠিত রূপ নেয়। গড়ে...
আরো পড়ুন
নারীবাদী দার্শনিকেরা বলেছেন, নারীর ইতিহাস লিখতে হবে নারীকেই। কেননা, সমাজ গঠনের সময় থেকেই নারী ক্রমশ বন্দি হয়েছে পুরুষতন্ত্রের জালে। হয়েছে শারীরিক, মানসিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বৈষম্যের শিকার। যদিও বিচ্ছিন্নভাবে নারী নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সরব হয়েছে, প্রশ্ন তুলেছে পিতৃতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির বিরুদ্ধে। তবে ধীরে ধীরে তা একটি সংগঠিত রূপ নেয়। গড়ে ওঠে নারী আন্দোলনের নানা দৃষ্টিকোণ । নারী কথাশিল্পীদের কলমেও রচিত হয়েছে সমাজ-সংসারে নারীর অবদমন, বৈষম্য ও মুক্তির প্রত্যাশাসূচক অজস্র গল্প ।
এই সংকলনে বাংলাদেশের বিভিন্ন দশকের ২৫ জন নারীর গল্প রয়েছে। ফলে বিগত প্রায় ছয়-সাত দশকে এই অঞ্চলের নারীর সামাজিক-অর্থনৈতিক-সাংস্কৃতিক এবং সর্বোপরি মনোজগতের রূপান্তর কীভাবে ঘটল তারই একটি খণ্ডচিত্র পাওয়া যায় গল্পগুলোতে । একই সঙ্গে লৈঙ্গিকচেতনায় বিভাজিত সমাজের বাস্তব চেহারারও একটা ছবি ফুটে উঠছে এসব লেখায় । সব গল্পই যে কোনো নির্দিষ্ট তত্ত্বের ছকে ফেলা যাবে, তা নয়। তবে প্রতিটি লেখাই নারীর দৈনন্দিন জীবনের বেদনা-বঞ্চনায় ভরা। কোনো কোনোটির বিষয় আত্ম-অধিকার প্রতিষ্ঠা ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষায় উজ্জীবিত।
অর্থাৎ নারীর নিজের স্বরে নিজের কথা বলার প্রয়াস এখানে প্রধান। নারীর গল্প নারীবাদী ছোটগল্প শিরোনামটি এই কারণেই সম্ভবত বিশিষ্ট।
কম দেখান