প্রখ্যাত প্রগতিশীল মানবতাবাদী উর্দু কবি কাইফি আজমী সারাজীবন সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লেখনীর মাধ্যমে সংগ্রাম চালিয়েছেন। জীবনের শেষের দিকে তিনি ছিলেন পঙ্গু, কিন্তু লেখনী তার স্তব্ধ হয়নি। হুইল চেয়ারে বসে বসে তিনি দেশের শােষিত মানুষের কথা ভাবতেন , তাদের মুক্তির কথা লিখেছেন তার কবিতায়। বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর বর্বর হত্যাযজ্ঞের...
আরো পড়ুন
প্রখ্যাত প্রগতিশীল মানবতাবাদী উর্দু কবি কাইফি আজমী সারাজীবন সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লেখনীর মাধ্যমে সংগ্রাম চালিয়েছেন। জীবনের শেষের দিকে তিনি ছিলেন পঙ্গু, কিন্তু লেখনী তার স্তব্ধ হয়নি। হুইল চেয়ারে বসে বসে তিনি দেশের শােষিত মানুষের কথা ভাবতেন , তাদের মুক্তির কথা লিখেছেন তার কবিতায়। বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর বর্বর হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে লিখেছেন অসাধারণ কবিতা বাংলাদেশ। বাবরি মসজিদ ভাঙার পর লিখেছেন ‘দ্বিতীয় বনবাস’ কবিতা। মুক্তচিন্তার কবি কাইফি আজমী ২০০২ সালের ১০ মে মুম্বাই-এ পরলােকগমন করেন । তার মৃত্যুর পর কাইফি আজমীর কিছু কবিতার অনুবাদসহ নিবন্ধ লিখেছি । নিবন্ধগুলাে দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক সংবাদে কাইফির ছবিসহ ছাপা হয়। কয়েকজন প্রবীণ কবি আমাকে ফোনে অভিনন্দন জানান । এর পর আমি কাইফির উর্দু কবিতাসমূহ অনুবাদে উৎসাহ বােধ করি।
কম দেখান