বাজারে জন্ম নেওয়া এবং বড় হয়ে ওঠা মুমিনুল ঠিক কে, তার বাঁশির সুরের উৎস কোথায় কেউ জানে না। কেউ জানার প্রয়োজন মনে করে না। মুমিনুল তার মতো বেড়ে ওঠে, এই ব্যস্ত এবং নির্ঘুম নগরীর অদ্ভুত অথচ প্রচলিত ঘটনাবলির সাক্ষী হয়ে। তার জন্য পৃথিবীর ভালোবাসাগুলো ছড়িয়ে থাকে যত্রতত্র, বেহিসাবি। এগুলো ভালোবাসা...
আরো পড়ুন
বাজারে জন্ম নেওয়া এবং বড় হয়ে ওঠা মুমিনুল ঠিক কে, তার বাঁশির সুরের উৎস কোথায় কেউ জানে না। কেউ জানার প্রয়োজন মনে করে না। মুমিনুল তার মতো বেড়ে ওঠে, এই ব্যস্ত এবং নির্ঘুম নগরীর অদ্ভুত অথচ প্রচলিত ঘটনাবলির সাক্ষী হয়ে। তার জন্য পৃথিবীর ভালোবাসাগুলো ছড়িয়ে থাকে যত্রতত্র, বেহিসাবি। এগুলো ভালোবাসা কি না তার জানা থাকে না। প্রাণী এবং যুগপৎ মানব জীবন যাপনে অভ্যস্ত হয়ে ওঠা মুমিনুলের কাছে নির্লিপ্ততা কিংবা লিপ্ততার কোনো পৃথক অর্থ নেই। সে জানে না স্বাধীনতা কাকে বলে, কোথায় দাহের জন্ম হয়, কে উৎপীড়ক আর কে-ই বা ত্রাতা। তাতে তার কোনো অসুবিধা হয় না। মুমিনুল বোধ করি স্বাধীন, কারণ স্বাধীনতার নিরাপদ বেষ্টনির ভেতর প্রবেশ করার প্রয়োজন সে কখনো বোধ করে না। ইনসমনিয়াক রাত তার বাঁশির সাথে জেগে থাকে। কিংবা মুমিনুল ইনসমনিয়াক রাতের সঙ্গী হয় নিজের অজান্তেই। প্রথাগত মানবসূলভ অনুভবের বাইরেও একটি জগৎ আছে। সে জগতটিই বোধ করি মুমিনুলের জগৎ।
কম দেখান