সাম্রাজ্যবাদী সামন্তবাদী শােষণের ফলে দুনিয়ার শস্যভান্ডার সুজলা-সুফলা বাংলা ১৩৫০ সালে পৃথিবীর ইতিহাসের সর্বাপেক্ষা মর্মান্তিক লােক-ক্ষয়ী আকালের শিকার হইয়াছিল। বাংলার দুইটি শ্রেষ্ঠ প্রতিভা এই হৃদয়বিদারক আকালের বাস্তব ছবি আঁকিয়াছিলেন; শিল্পী জয়নুল আবেদিন আঁকিয়াছিলেন ব্রাশ ও তুলিতে আর আবুল মনসুর আঁকিয়াছিলেন নকশার কলমে। তাঁর অমর সৃষ্টি ফুড় কনফারেন্সই এক নকশা। বেদনার তীব্র...
আরো পড়ুন
সাম্রাজ্যবাদী সামন্তবাদী শােষণের ফলে দুনিয়ার শস্যভান্ডার সুজলা-সুফলা বাংলা ১৩৫০ সালে পৃথিবীর ইতিহাসের সর্বাপেক্ষা মর্মান্তিক লােক-ক্ষয়ী আকালের শিকার হইয়াছিল। বাংলার দুইটি শ্রেষ্ঠ প্রতিভা এই হৃদয়বিদারক আকালের বাস্তব ছবি আঁকিয়াছিলেন; শিল্পী জয়নুল আবেদিন আঁকিয়াছিলেন ব্রাশ ও তুলিতে আর আবুল মনসুর আঁকিয়াছিলেন নকশার কলমে। তাঁর অমর সৃষ্টি ফুড় কনফারেন্সই এক নকশা। বেদনার তীব্র কশাঘাত। এই কনফারেন্স পড়িয়াই বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনীষী অন্নদাশংকর রায় লিখিয়াছিলেন: ‘আয়না লিখিয়া আবুল মনসুর প্রাতঃস্মরণীয় হইয়াছিলেন আর ফুড-কনফারেন্স’ লিখিয়া তিনি অমর হইলেন। অনেক আগের কাহিনী ও চিত্র। ইতিমধ্যে আমরা স্বাধীনতা লাভ করিয়াছি কিন্তু সে চিত্র আজও তেমনি জীবন্ত ও বাস্তব। শস্যভান্ডারে আজও তেমনি আকাল চলিতেছে। তাই আমি ফুড-কনফারেন্স’কে নূতন সাজে সাজাইয়া পাঠকদের খেদমতে পেশ করিলাম।
কম দেখান