বাঙালি জাতির প্রথম স্মরণীয় ঘটনা অবশ্যই মায়ের ভাষার জন্য আন্দোলন। পৃথিবীতে আর কোনো জাতি মায়ের ভাষার মান রাখার জন্য রক্ত ঝরায়নি; বুকের তাজা রক্তে রাজপথ রঞ্জিত করেনি। বিশ^ ইতিহাসে ১৯৫২ সারের ২১ শে ফেব্রুয়ারি সে নজির স্থাপন করেছে বাঙালি জাতি। পৃথিবীর নানা ভাষাগোষ্ঠীর প্রায় পাঁচ হাজার মাতৃভাষার মধ্যে একমাত্র বাংলা...
আরো পড়ুন
বাঙালি জাতির প্রথম স্মরণীয় ঘটনা অবশ্যই মায়ের ভাষার জন্য আন্দোলন। পৃথিবীতে আর কোনো জাতি মায়ের ভাষার মান রাখার জন্য রক্ত ঝরায়নি; বুকের তাজা রক্তে রাজপথ রঞ্জিত করেনি। বিশ^ ইতিহাসে ১৯৫২ সারের ২১ শে ফেব্রুয়ারি সে নজির স্থাপন করেছে বাঙালি জাতি। পৃথিবীর নানা ভাষাগোষ্ঠীর প্রায় পাঁচ হাজার মাতৃভাষার মধ্যে একমাত্র বাংলা ভাষার অধিকারের প্রশ্নেই হয়েছে সেই রক্তঝরা আন্দোলন। রূপকথাকেও হার মানায় সেই আন্দোলনের ঘটনাক্রম। আন্দোলনের ৪৭ বছর পর ১৯৯৯ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ‘ইউনেস্কো’ একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়। তাই ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারির শোকগাথা পরিণত হয়েছে বাঙালি জাতির বীরগাথায়। এই বই সেই অপূর্ব গৌরবগাথার ধারাবাহিক পরিচয়। বাংলার সচেতন মা-বাবা এ-যুগের নতুন প্রজন্মের শিশুদের ভাষা আন্দোলনের গল্প বলে এখনো দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করেন, ভবিষ্যতেও করবেন। সেই গুরুত্ব থেকে জনপ্রিয় সাহিত্যশিল্পী সুজন বড়ুয়া অত্যন্ত আবেগময় স্নিগ্ধ প্রাণবন্ত ভাষায় লিখেছেন বইটি। তাই এ বই শুধু ছোটদের নয়, মেটাবে বড়দেরও প্রয়োজন।
কম দেখান