নিউ জলপাইগুড়িতে ট্রেনটা এসে দাঁড়ানোর পরই পানতুয়ার ঘুম ভেঙে গিয়েছিল। একবার সে ভাবল উঠে বসে জানলা দিয়ে দেখে স্টেশনটাকে কিন্তু মা'র বকুনির ভয়ে সে উঠল না। নিজের স্লিপারে চুপ করে শুয়ে রইল। গতকাল শিয়ালদহ স্টেশন থেকে কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসের এ.সি টু টায়ারে উঠেই সে নিজের বার্থটা পছন্দ করে নিয়েছিল। পছন্দের বার্থটার...
আরো পড়ুন
নিউ জলপাইগুড়িতে ট্রেনটা এসে দাঁড়ানোর পরই পানতুয়ার ঘুম ভেঙে গিয়েছিল। একবার সে ভাবল উঠে বসে জানলা দিয়ে দেখে স্টেশনটাকে কিন্তু মা'র বকুনির ভয়ে সে উঠল না। নিজের স্লিপারে চুপ করে শুয়ে রইল। গতকাল শিয়ালদহ স্টেশন থেকে কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসের এ.সি টু টায়ারে উঠেই সে নিজের বার্থটা পছন্দ করে নিয়েছিল। পছন্দের বার্থটার জন্য খুব একটা বায়না করতে হয়নি তার মা-বাবার কাছে। একবার বলতেই তারা রাজি হয়ে গিয়েছিলেন। বাবা তো পানতুয়ার সব কথাতেই রাজি। মা একটু বেগরবাই করে। তবে এক্ষেত্রে সেটা ঘটেনি।
এবার দাদু-ঠাকুরমা ওদের সঙ্গে আসেননি। তারা পানতুয়ার পিসির বাড়ি হরিদ্বার গেছেন। পুজোয় পানতুয়াদের বাইরে ঘুরতে যাওয়া চাই-ই-চাই। এটা ওর বাবার একটা নেশা। পানতুয়ার বাবা শুভঙ্কর সেন একটা বেসরকারি অফিসের বড় অফিসার। সারা দিন তার কাজ, কাজ আর কাজ। পানতুয়া বাবাকে খুব ভালোবাসে। সে ঠাকুরদা, ঠাকুরমা, বাবা, মা, পিসি, পিসেমশাই, ওর থেকে দুবছরের বড় পিসতুতো দাদা বুলান সকলকেই ভালোবাসে। তবে তার মধ্যে বাবা ও ঠাকুরদাকে একটু বেশি।
কম দেখান