ঠিকানা না-ই বা বললাম। তুমি একটু এগিয়ে এলেই চিনবে। এ রাস্তার এ বাড়িটাকে কেউ বা বলে ব্যারাক- কেউ বা পাঁচ ইঞ্চি। একটা চৌকোনা প্লটের ওপর খোপ-খোপ ঘর। গুনলে কুড়ি-বাইশখানা হবে। পাঁচ ইঞ্চি গাঁথুনি। ছাউনি অ্যাসবেস্টো এবং টালির। দূর থেকে ভয় হয়- কপাল সিরসির করে ওঠে। একটু এগোলে আর বুঝি রক্ষা...
আরো পড়ুন
ঠিকানা না-ই বা বললাম। তুমি একটু এগিয়ে এলেই চিনবে। এ রাস্তার এ বাড়িটাকে কেউ বা বলে ব্যারাক- কেউ বা পাঁচ ইঞ্চি। একটা চৌকোনা প্লটের ওপর খোপ-খোপ ঘর। গুনলে কুড়ি-বাইশখানা হবে। পাঁচ ইঞ্চি গাঁথুনি। ছাউনি অ্যাসবেস্টো এবং টালির। দূর থেকে ভয় হয়- কপাল সিরসির করে ওঠে। একটু এগোলে আর বুঝি রক্ষা নেই। পূর্ব-পশ্চিমের ঘরগুলো যেমন মুখোমুখি, তেমনি উত্তর-দক্ষিণের। প্রত্যেক ঘরের সম্মুখে হাত তিনেক চওড়া বারান্দা। ওরই একপাশে রান্নাঘর অন্য পাশে ড্রয়িংরুম। কখনো কখনো বাথরুম কখনো বা ছেলেমেয়ের পড়ার ঘর। সময়মতো ছোটখাটো গানের আসর নয়তো তাসের আড্ডা বসে। রাজনীতি, সমাজনীতি, দর্শনও বাদ যায় না। নজরুল এবং রবীন্দ্র পরিক্রমাও হয় মাঝে মাঝে। সেদিন এক বারান্দায় দুদল স্কুলের ছেলেদের মধ্যে তো স্ট্যালিনগ্রাদের ফাইট হয়ে গেল এক সিনেমা অভিনেত্রীকে নিয়ে। বিষয়টা জটিল
কম দেখান