৬ই অক্টোবর, ২০০১; লেখিকা অদিতি তুলির ধরণিতে আগমন। জীবনানন্দের জন্মভূমিতে বেড়ে ওঠা তাঁর। বয়স বাড়ার সাথে সাথে জীবন আর জীবিকার অন্বেষণে মানুষ যেমন ঘর ছাড়ে, তিনিও ঠিক একই কারণে আজ জাদুর শহরের বাসিন্দা।
নিজেকে বিশ্লেষণের সুযোগ দেওয়া হলে তিনি বলেন, আমি এমন একজন, যে মুগ্ধ হই নন্দনতত্ত্বে; আগলে রাখে চেতনায় আর মননে যত সভ্য, সৃষ্টিশীল, সনাতন ঐশ্বর্যের পুরোনো উদ্দীপক। মানুষের শরীরের অসুখ সারাতে গিয়ে অপ্রকাশিত মনের ভাষাটাও পড়তে শিখে নিয়েছে এতদিনে।
লেখক নিজেকে একজন মনোযোগী শ্রোতা এবং পাঠক হিসেবে পরিচয় দিতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ...
আরো পড়ুন
৬ই অক্টোবর, ২০০১; লেখিকা অদিতি তুলির ধরণিতে আগমন। জীবনানন্দের জন্মভূমিতে বেড়ে ওঠা তাঁর। বয়স বাড়ার সাথে সাথে জীবন আর জীবিকার অন্বেষণে মানুষ যেমন ঘর ছাড়ে, তিনিও ঠিক একই কারণে আজ জাদুর শহরের বাসিন্দা।
নিজেকে বিশ্লেষণের সুযোগ দেওয়া হলে তিনি বলেন, আমি এমন একজন, যে মুগ্ধ হই নন্দনতত্ত্বে; আগলে রাখে চেতনায় আর মননে যত সভ্য, সৃষ্টিশীল, সনাতন ঐশ্বর্যের পুরোনো উদ্দীপক। মানুষের শরীরের অসুখ সারাতে গিয়ে অপ্রকাশিত মনের ভাষাটাও পড়তে শিখে নিয়েছে এতদিনে।
লেখক নিজেকে একজন মনোযোগী শ্রোতা এবং পাঠক হিসেবে পরিচয় দিতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। যাপিত জীবনের আনন্দ- দুঃখ, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি জমা রাখেন কবিতায়।
তিনি এমন এক মুক্তমনা অখ্যাত গাঙচিল, যে বরাবরই শেকড়ে ভালোবেসে মানুষ হতে চেয়েছেন!
কম দেখান